ফেসবুক পেজ রেস্ট্রিকশনের কারন

পেজ রেস্ট্রিকশনটা মূলত কার্ডের জন্য হয় না, হয় অ্যাড ভায়োলেন্সের জন্য। মেটাভার্সে কনভার্ট হওয়ার পর ফেসবুক নিজেদের অ্যালগোরিদমে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। কপি পেস্ট ছবি-ভিডিও কিংবা সিপিএম সব কিছুতেই তারা এই পরিবর্তনটা এনেছে।
আমরা কয়জন উদ্যোক্তা ফেসবুকের এই ক্রিয়েটর স্টুডিও দেখি? সময় করে ফেসবুকের এই অপশনটা দেখলেই বুঝতে পারবেন যে, ফেসবুক আপনাকে বার বার সতর্ক করছে যে, কোনো স্পেসিফিক অ্যাডটা যেন রান না করেন (Error Issue)। কিন্তু আপনি চেক করেন নাই। ফেসবুক তো আর মানুষ না। সে চলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্ত্বায় (আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স)। তাই সে বার বার সতর্ক করার পরও আপনি রুলসের বাইরে গিয়ে এটা করছেন। এজন্য সে স্পেসিফিকলি আপনার অ্যাড অ্যাকাউন্ট রেস্ট্রিকশন /পেজ অ্যাডভারটাইজ রেস্ট্রিকশন করে দেয়। ফলে আপনি বিপদে পড়ছেন…!
সেকেন্ডলি হলো, পেমেন্ট থ্রেসহোল্ড। আমি সবাইকে বলি, পেজ বুস্টিংয়ের জন্য একটা স্পেসিফিক পেমেন্ট কার্ড ইউজ করবেন। একটু সহজে যদি বলি, ফেসবুক প্রতিমাসে ২২/২৩ তারিখ পেমেন্ট চার্জ করে। সেটা হোক এজেন্সির, হোক নিজের কার্ড, এটা সব ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। ধরেন, আপনার অ্যাড অ্যাকাউন্টের লিমিট ৩০০ ডলার কিন্তু আপনি চাইলে এটা একবারে পেমেন্ট করতে পারবেন না। কারণ বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর ই-কমার্স পেমেন্ট এতটা আপডেট না।
এজন্য আপনাকে অ্যাড অ্যাকাউন্টয়ের থ্রেসহোল্ড একটু কমিয়ে রাখতে হয়। যাতে করে আপনি পেমেন্টটা খুব সহজেই করতে পারেন। ফেসবুক সবসময় চায়, আপনার পেমেন্ট অপশন যেন সলিড বা নির্ভেজাল থাকে। অনেক সময় ফেসবুক কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করতে পারে না, এটা আপনার দোষ না। এটা আপনার ব্যাংকের দোষ। ওদের কিছু গাফিলতির কারণে পেমেন্ট ডিকলাইন হয়। আর খেসারত দেন আপনি। ফলে আপনার অ্যাড অ্যাকাউন্ট রেস্ট্রিকশন করে দেয় ফেসবুক।
অনেক কথাই বলে ফেললাম। কিন্তু এখানে শুধু দুটো কারণ বললাম। এছাড়াও আরো অসংখ্য কারণ আছে। জানতে হবে এবং জানাতে হবে, সেই মানসিকতা আছে বলেই এগুলো বললাম। একটা এজেন্সি হয়ত শুধু আপনার বুস্ট রান করাবে। কিন্তু পেজের যাবতীয় বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে আপনাকেই। আর তাই আপনাকেও এসব খুঁটিনাটি প্রযুক্তি জ্ঞান জানা দরকার। একজন স্মার্ট ও ডিজিটাল মার্কেটার আপনার পেজের সেল-ই শুধু বাড়াবে না, সে আপনার পেজের যাবতীয় বিষয়গুলোও দেখবে।
ফার্মেসির কম্পাউন্ডার দিয়ে যদি সব অসুখ ভালো হতো, তাহলে মানুষ MBBS ডাক্তারের কাছে এত ভিজিট দিয়ে যেতো না। ব্যাপারটা তেমনই।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *